new-project.title-alts.detail.image-gallery.alt
new-project.title-alts.detail.image-gallery.alt
new-project.title-alts.detail.image-gallery.alt
new-project.title-alts.detail.image-gallery.alt
1+

Bajaj Pulsar NS150

ইঞ্জিনের ক্ষমতা

150cc

পাওয়ার

15ps

টর্ক

13Nm

ট্রান্সমিশন

5-Speed Manual

মাইলেজ

45 kmpl

Body Style

Naked Sports

ওভারভিউ

আপনি কি ২ লাখ টাকার নিচে একটি স্পোর্টি ১৫০সিসি মোটরসাইকেল খুঁজছেন, যা শক্তিশালী পারফরম্যান্সও প্রদান করে? Bajaj Pulsar NS150 এমনভাবে ডিজাইন করা হয়েছে যাতে রাইডাররা NS সিরিজের বোল্ড স্ট্রিটফাইটার ডিজাইন উপভোগ করতে পারেন, একই সঙ্গে স্বস্তিতে দৈনন্দিন যাত্রায় অংশ নিতে পারেন। Bajaj-এর লাইনআপে এটি Pulsar 150 এবং NS160-এর মাঝামাঝি অবস্থানে রয়েছে। তাই এটি নতুন ও তরুণ রাইডারদের পাশাপাশি নিয়মিত কমিউটিং করা রাইডারদের কাছেও আকর্ষণীয় হতে পারে। এই বিস্তারিত রিভিউতে রাইডারদের অভিজ্ঞতা, টেকনিক্যাল স্পেসিফিকেশন এবং বাংলাদেশের বাস্তব রোডের পরিস্থিতিতে এর ব্যবহারিক তথ্য তুলে ধরা হয়েছে, যাতে আপনি সহজেই সিদ্ধান্ত নিতে পারেন NS150 আপনার জন্য আদর্শ দৈনন্দিন মোটরসাইকেল হওয়ার জন্য উপযুক্ত কি না।
আরও দেখুন
plus icon

টপ ফিচারস

Sporty design
LED headlight
LED taillight
Digital instrument cluster
Front disc brake
Single-channel ABS
Alloy wheels
Tubeless tires
Split seat design
View all specifications and features
pros

সুবিধা

১৪.৫-১৫ PS ইঞ্জিন শক্তিশালী পিক-আপ দেয় এবং বেশিরভাগ ১৫০সিসি কমিউটার বাইকের তুলনায় দ্রুত অ্যাক্সেলারেশন প্রদান করে।
হাইওয়েতে প্রায় ৪৫ কিমি/লিটার মাইলেজ পাওয়ায় প্রতিদিনের যাতায়াতে মাসিক জ্বালানি খরচ কমাতে সহায়তা করে।
১৪০ কেজি হালকা চ্যাসিস হওয়ায় ঢাকার ব্যস্ত ট্রাফিক ও সরু রাস্তায় বাইকটি সহজে নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
১২০ কিমি/ঘণ্টা টপ স্পিড থাকায় ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম বা অন্যান্য জেলা ভ্রমণের মতো হাইওয়ে রাইডের জন্য এটি উপযুক্ত।
মাসকুলার ট্যাংকসহ বোল্ড NS ডিজাইন তরুণ রাইডারদের কাছে বেশি আকর্ষণীয়, বিশেষ করে যারা স্পোর্টি লুক পছন্দ করেন।
টিউবলেস টায়ার ও অ্যালয় হুইল থাকার কারণে পাংচার হওয়ার ঝুঁকি কমে, যা প্রতিদিনের কমিউটিংয়ের জন্য বেশ সুবিধাজনক।
cons

অসুবিধা

রিয়ার ডিস্ক ব্রেকের পরিবর্তে ড্রাম ব্রেক ব্যবহার করা হয়েছে, ফলে বেশি গতিতে ব্রেক করার সময় আত্মবিশ্বাস কিছুটা কমে যেতে পারে।
বাইকটির সম্ভাব্য দাম প্রায় ১.৯ লাখ টাকা, যা অনেক বেসিক কমিউটার বাইকের তুলনায় প্রায় ১০-১৫ হাজার টাকা বেশি।
এতে শুধু সিঙ্গেল-চ্যানেল ABS রয়েছে, যেখানে কিছু প্রতিদ্বন্দ্বী মডেলে ডুয়াল-চ্যানেল ABS দেওয়া হয়।
৯০ কিমি/ঘণ্টার উপরে ইঞ্জিনে কিছুটা ভাইব্রেশন অনুভূত হতে পারে, যা সাধারণত সিঙ্গেল-সিলিন্ডার ১৫০সিসি বাইকে দেখা যায়।
বাইকটি এখনও বাংলাদেশের সব শো-রুমে ব্যাপকভাবে পাওয়া যায় না, তাই শুরুতে স্পেয়ার পার্টস পাওয়া নিয়ে কিছুটা অনিশ্চয়তা থাকতে পারে।

ড্রাইভার ইনসাইটস

3.8
out of 5

ঢাকার বিভিন্ন এলাকার রাইডারদের মতামত থেকে বোঝা যায়, NS150 মূলত তরুণ রাইডারদের লক্ষ্য করে তৈরি, যারা স্পোর্টি লুকের পাশাপাশি প্রতিদিনের ব্যবহারিক সুবিধাও চান। Pulsar ইঞ্জিন সম্পর্কে অভিজ্ঞ অনেক মেকানিক বলেন, এর পারফরম্যান্স ক্লাসিক Pulsar 150 এবং বেশি শক্তিশালী NS160-এর মাঝামাঝি অবস্থানে রয়েছে। অনেক মালিক জানান, বাইকটি কলেজ শিক্ষার্থী এবং অফিসে যাতায়াতকারী রাইডারদের কাছেও জনপ্রিয়, কারণ এটি স্টাইলিশ ডিজাইন দেওয়ার পাশাপাশি ভালো ফুয়েল ইফিশিয়েন্সিও ধরে রাখে। বাংলাদেশের বাজারে এই বাইকটির প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে ধরা হয় Apache RTR 160 4V, Pulsar N160 এবং Yamaha FZ সিরিজের মডেলগুলোকে।
আরও দেখুন
plus icon
Key Features & Design
স্থানীয় রাইডার গ্রুপগুলোর আলোচনায় প্রায়ই NS160 এবং NS200 থেকে অনুপ্রাণিত স্ট্রিটফাইটার ডিজাইন নিয়ে কথা ওঠে। অনেক বাইকপ্রেমী বলেন, এর মাসকুলার ফুয়েল ট্যাংক, শার্প ট্যাংক শ্রাউড এবং আক্রমণাত্মক হেডলাইট ডিজাইন মিলিয়ে বাইকটিকে বেশ প্রিমিয়াম লুক দেয়। ফলে এটি সাধারণ কমিউটার বাইকগুলোর তুলনায় সহজেই আলাদা হয়ে দাঁড়ায়। এর সঙ্গে LED হেডলাইট এবং ডিজিটাল কনসোল যোগ হওয়ায় বাইকটির আধুনিক ভাব আরও বাড়ে। তবে কিছু রাইডার উল্লেখ করেন যে ইন্সট্রুমেন্ট ক্লাস্টারটি তুলনামূলকভাবে সহজ, এবং এতে পুরোপুরি ফুল-ডিজিটাল ডিসপ্লে নেই। দাম অনুযায়ী বিল্ড কোয়ালিটি বেশ মজবুত মনে হয়, যদিও পেইন্ট ফিনিশ শীর্ষ প্রিমিয়াম ব্র্যান্ডগুলোর মতো একদম নিখুঁত নাও হতে পারে।
Performance
Handling and Comfort
Braking & Safety
Wheels & Tires
Speed & Mileage

গ্রেড ও স্পেসিফিকেশন

Launch Year
NA
Engine Type
4-valve, single cylinder, air-cooled engine
Show full specifications
plus icon

সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলী

বাংলাদেশের বাজারে Bajaj Pulsar NS150-এর প্রত্যাশিত শো-রুম মূল্য কত?
প্রত্যাশিত মূল্য প্রায় ১,৮৫,০০০ থেকে ১,৯৫,০০০ টাকা। চূড়ান্ত শো-রুম মূল্য আমদানি খরচ এবং ডিলারের চার্জের ওপর ভিত্তি করে পরিবর্তিত হতে পারে।
বাংলাদেশে Pulsar NS150 কত মাইলেজ দেয়?
বার্ষিক রক্ষণাবেক্ষণের খরচ কত?
Pulsar NS150-এর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী কোন কোন বাইক?
NS150-এর রিসেল ভ্যালু কতটা ভালো?

Bajaj Pulsar NS150 এর অন্যান্য রিভিউগুলো দেখুন

  • Bajaj Pulsar NS150

    মোটরসাইকেল

    ৳ 185K - 195K

Bajaj মোটরবাইকের অন্যান্য রিভিউগুলো দেখুন

  • Bajaj Pulsar 150 Twin Disc ABS

    ৳ 195.3K - 235K

  • Bajaj CT110 X

    মোটরসাইকেল
  • Bajaj Pulsar NS160 FI

    ৳ 229.4K - 270K

  • Bajaj Discover 125 Disc

    ৳ 108K - 140K

  • Bajaj Pulsar 150 Neon

    ৳ 220K - 220K

  • Bajaj Discover 100

    ৳ 90K - 110K

  • Bajaj Discover 110 Disc

    ৳ 130K - 145K

  • Bajaj Discover 110 Drum

    ৳ 100.4K - 111.5K

  • Bajaj Platina 100 ES

    ৳ 115.2K - 128K

  • Bajaj Platina 110 H Gear

    ৳ 115.7K - 128.5K

  • Bajaj V15

    ৳ 143.6K - 159.5K

  • Bajaj Avenger Street 150

    মোটরসাইকেল

    ৳ 179.6K - 199.5K

টপ রেটেড মোটরবাইক

  • Kawasaki Z900 ABS

    মোটরসাইকেল

    ৳ 1.7M - 1.8M

  • Kawasaki Ninja ZX-4RR

    মোটরসাইকেল

    ৳ 1.4M - 1.5M

  • Royal Enfield Thunderbird 500X

    মোটরসাইকেল

    ৳ 0 - 0

  • Ducati SuperSport 950

    মোটরসাইকেল

    ৳ 1.5M - 1.6M

  • Royal Enfield Roadster 650

    মোটরসাইকেল

    ৳ 0 - 0

  • Ducati Panigale V4

    মোটরসাইকেল

    ৳ 2.5M - 2.5M

  • Honda CBR650R

    মোটরসাইকেল

    ৳ 830K - 831.6K

  • Kawasaki Eliminator 400

    মোটরসাইকেল

    ৳ 1.1M - 1.2M

  • Yamaha R15 V4 Racing Blue

    মোটরসাইকেল

    ৳ 505K - 605K

  • Kawasaki Z400

    মোটরসাইকেল

    ৳ 456K - 480K

  • Yume Japan Katana

    মোটরসাইকেল

    ৳ 256.5K - 270K

  • Royal Enfield Thunderbird 350X

    মোটরসাইকেল

    ৳ 304.9K - 321K

বাংলাদেশে মোটরবাইক ব্রাউজ করুন

hero

আপনার বাইক বিক্রির বিজ্ঞাপন মাত্র ২ মিনিটে পোস্ট করুন একদম ফ্রি!