



3+
BMW E46 2007
ইঞ্জিনের ক্ষমতা
1995cc
পাওয়ার
56hp
টর্ক
75Nm
গতি
215 kmph
ট্রান্সমিশন
5-Speed Manual
ড্রাইভের ধরণ
Front Wheel Drive (FWD)
ওভারভিউ
আপনি কি এমন একটি সেডান খুঁজছেন, যা দেখতে স্টাইলিশ এবং যা চালাতে আনন্দদায়ক? BMW E46 এখনো বাংলাদেশের গাড়িপ্রেমীদের কাছে জনপ্রিয়, বিশেষ করে যারা সুপারকারের দামের বাইরে ইউরোপিয়ান ড্রাইভিং এক্সপেরিয়েন্স চান। এই গাড়িতে আছে শার্প হ্যান্ডলিং, মজবুত গঠন এবং সময়ের সাথে মানানসই ডিজাইন। তবে E46 কিনতে চাইলে নিয়মিত মেইনটেন্যান্স ও নির্ভরযোগ্য পার্টস পাওয়া জরুরি। নিচে বাংলাদেশের মালিকদের অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে একটি বাস্তব ওভারভিউ দেয়া হলো।
আরও দেখুন
টপ ফিচারস
View all specifications and features
সুবিধা
অসুবিধা
ড্রাইভার ইনসাইটস
বাংলাদেশে BMW E46 ২০০৭ মডেলটি গাড়িপ্রেমীদের মধ্যে নীরব কিন্তু বিশ্বস্ত একটি ফ্যানবেস তৈরি করেছে। যারা গাড়ির যান্ত্রিক নিখুঁততা ও ড্রাইভিং ব্যালেন্স পছন্দ করেন, তাদের কাছে এটি আলাদা গুরুত্ব পায়। ঢাকার রাস্তায় এটি সবচেয়ে আকর্ষণীয় সেডান না হলেও, এর আসল শক্তি হলো ড্রাইভারের জন্য ড্রাইভিং খাঁটি ও আনন্দদায়ক। তবে দেশী ও বিদেশী ব্যবহারকারীদের মতে, কিছু সীমাবদ্ধতাও আছে।
আরও দেখুন
Exterior Design
E46-এর ডিজাইন এখনো তার ভারসাম্যপূর্ণ ও পরিণত লুকের জন্য প্রশংসিত হয়। লম্বা হুড, ছোট রিয়ার আর পরিচিত কিডনি গ্রিল মিলে বাড়তি আকর্ষণ ছাড়াই শক্তিশালী উপস্থিতি দেয়। বাংলাদেশের মালিকরা বলেন, শহরের ট্রাফিকে এটি বেশ সুন্দর দেখায় এবং নতুন গাড়ির পাশেও মান হারায় না। তবে আমাদের আর্দ্র আবহাওয়ায় বাইরের অংশ পরিষ্কার রাখা ও মরিচা থেকে বাঁচাতে নিয়মিত যত্ন নিতে হয়।
Interior Design
Performance
Fuel Efficiency
Safety and Technology
Transmission
Ride Quality
সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলী
বাংলাদেশে BMW E46 মেইনটেন্যান্স কি ব্যয়বহুল?
বার্ষিক মেইনটেন্যান্স খরচ সাধারণত ৮০,০০০ থেকে ১,২০,০০০ টাকা, ইঞ্জিন ও পার্টসের ওপর নির্ভর করে। জেনুইন পার্টস ব্যবহার করলে দীর্ঘমেয়াদে খরচ কমে। এখন অনেক লোকাল ওয়ার্কশপ BMW-তে বিশেষজ্ঞ।
একটি ভালো অবস্থার E46-এর রিসেল ভ্যালু কত থাকে?
স্পেয়ার পার্টস কি দেশে পাওয়া যায়?
ঢাকার ট্রাফিকের জন্য কি E46 উপযুক্ত?
BMW E46-এর কাছাকাছি বিকল্প কোনগুলো?






































