Bajaj রাইডারদের জন্য ১৫% লেবার ডিসকাউন্টসহ AMC প্রোগ্রাম চালু করলো Uttara Motors
3 মিনিটে পড়া যাবে
3 মিনিটে পড়া যাবে

Uttara Motors তাদের নতুন গ্রাহকবান্ধব আফটার-সেলস পরিকল্পনার মাধ্যমে মোটরসাইকেল রক্ষণাবেক্ষণে দীর্ঘমেয়াদে সাশ্রয়ীতার লক্ষ্য রাখছে। তাদের Annual Maintenance Contract (AMC)-এর আওতায় এখন গ্রাহকরা সারাবছর লেবার চার্জে সর্বোচ্চ ১৫% ছাড় পেতে পারেন, পাশাপাশি কিছু অতিরিক্ত সার্ভিস সুবিধাও উপভোগ করতে পারবেন।
এই AMC সুবিধা পাবেন Uttara Motors-এর নিজস্ব সার্ভিস সেন্টার এবং দেশের সর্বস্তরের অনুমোদিত ডিলার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে। অর্থাৎ, আপনি যেখানে থাকবেন না কেন, Bajaj মোটরসাইকেল ব্যবহারকারীদের জন্য এই সেবা সহজেই হাতের নাগালে থাকবে। আজকের দিনে রাইডাররা কেবল বাইক কেনার সময় নয়, বরং নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের খরচ নিয়েও বেশ সচেতন, এটা মাথায় রেখে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশের রাস্তাঘাটের কথা চিন্তা করলে মোটরসাইকেল মেইনটেন্যান্স কতটা গুরুত্বপূর্ণ, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। যানজট, ভাঙাচোরা রাস্তা, ধুলাবালি এবং দীর্ঘ সময় ধরে রাইডের কারণে বাইকের যন্ত্রাংশের ওপর বাড়তি চাপ পড়ে। এই পরিস্থিতিতে যদি একটি পরিকল্পিত সার্ভিসিং ব্যবস্থা থাকে, রাইডাররা অনেকটাই দুশ্চিন্তা থেকে মুক্তি পায়। AMC এই প্রয়োজনীয়তা মেটায় - সময়মতো সার্ভিসিং নিশ্চিত করে এবং খরচের ব্যাপারে আগেভাগে ধারণা দেয়।
Uttara Motors জানিয়েছে যে AMC প্যাকেজের মাধ্যমে গ্রাহকরা কম খরচে প্রফেশনাল সার্ভিসিং সুবিধা পাবে। সারা বছর ১৫% লেবার ডিসকাউন্ট থাকায় ইঞ্জিন চেক, ব্রেক ও ক্লাচ অ্যাডজাস্টমেন্ট, সাসপেনশন পরিদর্শন বা ডায়াগনস্টিক চেক - এসব নিয়মিত কাজের খরচ অনেকটাই কমে যায়। বিশেষ করে যারা প্রতিদিন বাইক চালান, তাদের জন্য এই সাশ্রয়টা বেশ উল্লেখযোগ্য।
খরচ কমানোর পাশাপাশি এই প্রোগ্রামটি সার্ভিসের মান ও নির্ভরযোগ্যতার দিকেও গুরুত্ব দিচ্ছে। অথরাইজড সার্ভিস সেন্টারের মাধ্যমে AMC করালে, প্রশিক্ষিত টেকনিশিয়ানরা নির্ধারিত টুলস ও সঠিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করে বাইকের যত্ন নেবেন। এর ফলে বাইকের পারফরম্যান্স ভালো থাকে, মাইলেজ ঠিক থাকে এবং এটি দীর্ঘ সময় ব্যবহার করা যায়, যা আমাদের দেশের রাইডারদের জন্য রিসেল ভ্যালুর দিক থেকেও অনেক গুরুত্ব বহন করে।
মোটরসাইকেল শিল্প বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমানে বিক্রয়োত্তর সেবা ব্র্যান্ডের মধ্যে পার্থক্য তৈরি করছে। যখন বিভিন্ন ব্র্যান্ডের দাম আর ফিচারের পার্থক্য কমে আসছে, তখন বাইক মালিকানার অভিজ্ঞতা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। বিশেষ করে Bajaj রাইডারদের জন্য এই উদ্যোগটি অনেকটাই স্বস্তিদায়ক। অনেকেই প্রতিদিন অফিসে যাওয়া, কাজের জন্য বা দূরপাল্লার ভ্রমণে বাইকের ওপর নির্ভর করেন। নিয়মিত ও পরিকল্পিত সার্ভিসিং থাকলে হঠাৎ বিকল হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়, পাশাপাশি অপ্রয়োজনীয় খরচ ও চাপ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।
Uttara Motors AMC-কে এখন একটি মানুষের পরিপূর্ণ ও সহজ সমাধান হিসেবে উপস্থাপন করছে, যেখানে রাইডাররা পাবেন নির্ভরযোগ্য সার্ভিস, এবং যদি ওয়ার্কশপে যান, তবে অতিরিক্ত খরচের চাপ অনুভব করতে হবে না। কোম্পানিটি জানিয়েছে, এই চুক্তিতে সহজে যুক্ত হওয়ার জন্য সার্ভিস সেন্টার বা অথরাইজড ডিলারের মাধ্যমে বিস্তারিত পদ্ধতি অনুসরণ করতে হবে।
বাংলাদেশে মোটরসাইকেলের ব্যবহার যেমন বৃদ্ধি পেয়েছে, তেমনই ভবিষ্যতে AMC-এর মতো প্রোগ্রামগুলো আরও জনপ্রিয় হয়ে উঠবে বলে মনে করা হচ্ছে। এগুলো একদিকে খরচ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে, অন্যদিকে সময়মতো সার্ভিসিংয়ের মাধ্যমে দায়িত্বশীল বাইক চালকদের উৎসাহিত করে।
এই AMC উদ্যোগের মাধ্যমে Uttara Motors আবারও দেখিয়েছে যে বাইক বিক্রির পরেও তারা গ্রাহকের পাশে থাকার গুরুত্ব বোঝায়। কারণ একটি সঠিক বাইক বেছে নেওয়ার পাশাপাশি, নিয়মিত ও বুদ্ধিমানের মতো মেইন্টেন্যান্সও সমান জরুরি।
এই AMC সুবিধা পাবেন Uttara Motors-এর নিজস্ব সার্ভিস সেন্টার এবং দেশের সর্বস্তরের অনুমোদিত ডিলার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে। অর্থাৎ, আপনি যেখানে থাকবেন না কেন, Bajaj মোটরসাইকেল ব্যবহারকারীদের জন্য এই সেবা সহজেই হাতের নাগালে থাকবে। আজকের দিনে রাইডাররা কেবল বাইক কেনার সময় নয়, বরং নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের খরচ নিয়েও বেশ সচেতন, এটা মাথায় রেখে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশের রাস্তাঘাটের কথা চিন্তা করলে মোটরসাইকেল মেইনটেন্যান্স কতটা গুরুত্বপূর্ণ, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। যানজট, ভাঙাচোরা রাস্তা, ধুলাবালি এবং দীর্ঘ সময় ধরে রাইডের কারণে বাইকের যন্ত্রাংশের ওপর বাড়তি চাপ পড়ে। এই পরিস্থিতিতে যদি একটি পরিকল্পিত সার্ভিসিং ব্যবস্থা থাকে, রাইডাররা অনেকটাই দুশ্চিন্তা থেকে মুক্তি পায়। AMC এই প্রয়োজনীয়তা মেটায় - সময়মতো সার্ভিসিং নিশ্চিত করে এবং খরচের ব্যাপারে আগেভাগে ধারণা দেয়।
Uttara Motors জানিয়েছে যে AMC প্যাকেজের মাধ্যমে গ্রাহকরা কম খরচে প্রফেশনাল সার্ভিসিং সুবিধা পাবে। সারা বছর ১৫% লেবার ডিসকাউন্ট থাকায় ইঞ্জিন চেক, ব্রেক ও ক্লাচ অ্যাডজাস্টমেন্ট, সাসপেনশন পরিদর্শন বা ডায়াগনস্টিক চেক - এসব নিয়মিত কাজের খরচ অনেকটাই কমে যায়। বিশেষ করে যারা প্রতিদিন বাইক চালান, তাদের জন্য এই সাশ্রয়টা বেশ উল্লেখযোগ্য।
খরচ কমানোর পাশাপাশি এই প্রোগ্রামটি সার্ভিসের মান ও নির্ভরযোগ্যতার দিকেও গুরুত্ব দিচ্ছে। অথরাইজড সার্ভিস সেন্টারের মাধ্যমে AMC করালে, প্রশিক্ষিত টেকনিশিয়ানরা নির্ধারিত টুলস ও সঠিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করে বাইকের যত্ন নেবেন। এর ফলে বাইকের পারফরম্যান্স ভালো থাকে, মাইলেজ ঠিক থাকে এবং এটি দীর্ঘ সময় ব্যবহার করা যায়, যা আমাদের দেশের রাইডারদের জন্য রিসেল ভ্যালুর দিক থেকেও অনেক গুরুত্ব বহন করে।
মোটরসাইকেল শিল্প বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমানে বিক্রয়োত্তর সেবা ব্র্যান্ডের মধ্যে পার্থক্য তৈরি করছে। যখন বিভিন্ন ব্র্যান্ডের দাম আর ফিচারের পার্থক্য কমে আসছে, তখন বাইক মালিকানার অভিজ্ঞতা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। বিশেষ করে Bajaj রাইডারদের জন্য এই উদ্যোগটি অনেকটাই স্বস্তিদায়ক। অনেকেই প্রতিদিন অফিসে যাওয়া, কাজের জন্য বা দূরপাল্লার ভ্রমণে বাইকের ওপর নির্ভর করেন। নিয়মিত ও পরিকল্পিত সার্ভিসিং থাকলে হঠাৎ বিকল হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়, পাশাপাশি অপ্রয়োজনীয় খরচ ও চাপ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।
Uttara Motors AMC-কে এখন একটি মানুষের পরিপূর্ণ ও সহজ সমাধান হিসেবে উপস্থাপন করছে, যেখানে রাইডাররা পাবেন নির্ভরযোগ্য সার্ভিস, এবং যদি ওয়ার্কশপে যান, তবে অতিরিক্ত খরচের চাপ অনুভব করতে হবে না। কোম্পানিটি জানিয়েছে, এই চুক্তিতে সহজে যুক্ত হওয়ার জন্য সার্ভিস সেন্টার বা অথরাইজড ডিলারের মাধ্যমে বিস্তারিত পদ্ধতি অনুসরণ করতে হবে।
বাংলাদেশে মোটরসাইকেলের ব্যবহার যেমন বৃদ্ধি পেয়েছে, তেমনই ভবিষ্যতে AMC-এর মতো প্রোগ্রামগুলো আরও জনপ্রিয় হয়ে উঠবে বলে মনে করা হচ্ছে। এগুলো একদিকে খরচ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে, অন্যদিকে সময়মতো সার্ভিসিংয়ের মাধ্যমে দায়িত্বশীল বাইক চালকদের উৎসাহিত করে।
এই AMC উদ্যোগের মাধ্যমে Uttara Motors আবারও দেখিয়েছে যে বাইক বিক্রির পরেও তারা গ্রাহকের পাশে থাকার গুরুত্ব বোঝায়। কারণ একটি সঠিক বাইক বেছে নেওয়ার পাশাপাশি, নিয়মিত ও বুদ্ধিমানের মতো মেইন্টেন্যান্সও সমান জরুরি।







































