হর্ন কমাতে ঢাকার উদ্যোগঃ বিমানবন্দর ও গুলশান–বনানী সাইলেন্ট জোনে জরিমানা কার্যকর
2 মিনিটে পড়া যাবে
2 মিনিটে পড়া যাবে

ঢাকার গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলোর অপ্রয়োজনীয় হর্ন বন্ধের জন্য এবার কেবল ঘোষণা দিয়ে শান্তি প্রতিষ্ঠার চেষ্টা বন্ধ করে, কঠোর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হল। ২৫ জানুয়ারি থেকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরসহ গুলশান, বনানী, বারিধারা ও নিকেতন এলাকায় নির্ধারিত ‘সাইলেন্ট জোনে’ যানবাহনের হর্ন ব্যবহার কঠোরভাবে বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে। এর মূল লক্ষ্য হলো শব্দদূষণ কমানো এবং সড়কে বেশি শান্ত ও সুশৃঙ্খল পরিবেশ সৃষ্টি করা।
গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসে শব্দদূষণ (নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা, ২০২৫ অনুযায়ী এসব এলাকাকে আনুষ্ঠানিকভাবে সাইলেন্ট জোন ঘোষণা করা হয়েছিল, কিন্তু এর কার্যক্রম এখনও কাগজেই সীমাবদ্ধ ছিলো। নতুন এই উদ্যোগের মাধ্যমে ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ এখন সরাসরি ব্যবস্থা নিচ্ছে, যারা নিয়ম লঙ্ঘন করে হর্ন বাজাতে ধরা পড়বে তাদের বিরুদ্ধে। সাইলেন্ট জোনে হর্ন বাজানো হলে সর্বোচ্চ ১০,০০০ টাকা জরিমানা, তিন মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড বা উভয় দণ্ডের বিধান আছে। কর্মকর্তারা বলছেন, এসব শাস্তির মাধ্যমে শহরে মারাত্মক হয়ে ওঠা শব্দদূষণের বিষয়টিকে আরও গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরা হচ্ছে।
নিয়ম মানা নিশ্চিত করতে নিষিদ্ধ এলাকাগুলোতে বিশেষ ভ্রাম্যমাণ আদালত বসানো হয়েছে। এসব আদালতে পরিবেশ অধিদপ্তর, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ), বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এবং ডিএমপির ম্যাজিস্ট্রেটরা উপস্থিত রয়েছেন। তারা স্থানীয় ঘটনাস্থলেই মামলা শুনে জরিমানাসহ শাস্তি দিচ্ছেন। পুলিশ কর্মকর্তাদের মতে, এই সম্মিলিত উদ্যোগ সাইলেন্ট জোনের ধারণাকে বাস্তবে রূপ দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
স্থানীয় ট্রাফিক বিশেষজ্ঞ ও বাসিন্দাদের প্রতিক্রিয়া স্বাভাবিকভাবেই বিভিন্ন। কেউ কেউ এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে বলছেন, এতে গুলশান ও বনানীর মতো এলাকায় দীর্ঘদিনের হর্নের শব্দ কমে যাবে ও জীবন মান উন্নত হবে। তবে অনেকের মনে হতে পারে, চালকদের পুরোনো অভ্যাস পরিবর্তনে সময় লাগবে। তাদের মতে, শুধু আইন প্রয়োগই যথেষ্ট নয়, জনসচেতনতা বৃদ্ধি করে চালকদের বোঝানো উচিত কখন হর্ন ব্যবহার জরুরি, আর কখন তা কেবল বিরক্তির কারণ।
প্রাথমিক লক্ষণ বলছে, অভিযানের প্রভাব দেখা যাচ্ছে। বিমানবন্দর এলাকায় কঠোর কার্যক্রমের প্রথম দিনেই ডজনখানেক মামলা হয় এবং ১,০০,০০০ টাকার বেশি জরিমানা আদায় করা হয়, যখন চালকরা নতুন নিয়মের সঙ্গে মানিয়ে নিচ্ছিল। পুলিশ জানিয়েছে, আগামী সপ্তাহগুলোতেও এ ধরনের অভিযান চলবে, যাতে অপ্রয়োজনীয় হর্নের ব্যবহারের সামাজিক ও আইনি ফলাফল চালকদের মনে গেঁথে যায়।
ঢাকায় যানজট ও শব্দদূষণের অবসান করতে হর্ন নিষেধাজ্ঞা একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ, যা আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সমন্বয়ে বাস্তবায়িত হচ্ছে। তবে এই উদ্যোগের দীর্ঘমেয়াদি সফলতা শুধুমাত্র জরিমানার ওপর নির্ভর করবে না, বরং চালকদের আচরণে পরিবর্তন আনা এবং এক সচেতন নগর সংস্কৃতি গড়ে তুলতে হবে।
গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসে শব্দদূষণ (নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা, ২০২৫ অনুযায়ী এসব এলাকাকে আনুষ্ঠানিকভাবে সাইলেন্ট জোন ঘোষণা করা হয়েছিল, কিন্তু এর কার্যক্রম এখনও কাগজেই সীমাবদ্ধ ছিলো। নতুন এই উদ্যোগের মাধ্যমে ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ এখন সরাসরি ব্যবস্থা নিচ্ছে, যারা নিয়ম লঙ্ঘন করে হর্ন বাজাতে ধরা পড়বে তাদের বিরুদ্ধে। সাইলেন্ট জোনে হর্ন বাজানো হলে সর্বোচ্চ ১০,০০০ টাকা জরিমানা, তিন মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড বা উভয় দণ্ডের বিধান আছে। কর্মকর্তারা বলছেন, এসব শাস্তির মাধ্যমে শহরে মারাত্মক হয়ে ওঠা শব্দদূষণের বিষয়টিকে আরও গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরা হচ্ছে।
নিয়ম মানা নিশ্চিত করতে নিষিদ্ধ এলাকাগুলোতে বিশেষ ভ্রাম্যমাণ আদালত বসানো হয়েছে। এসব আদালতে পরিবেশ অধিদপ্তর, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ), বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এবং ডিএমপির ম্যাজিস্ট্রেটরা উপস্থিত রয়েছেন। তারা স্থানীয় ঘটনাস্থলেই মামলা শুনে জরিমানাসহ শাস্তি দিচ্ছেন। পুলিশ কর্মকর্তাদের মতে, এই সম্মিলিত উদ্যোগ সাইলেন্ট জোনের ধারণাকে বাস্তবে রূপ দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
স্থানীয় ট্রাফিক বিশেষজ্ঞ ও বাসিন্দাদের প্রতিক্রিয়া স্বাভাবিকভাবেই বিভিন্ন। কেউ কেউ এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে বলছেন, এতে গুলশান ও বনানীর মতো এলাকায় দীর্ঘদিনের হর্নের শব্দ কমে যাবে ও জীবন মান উন্নত হবে। তবে অনেকের মনে হতে পারে, চালকদের পুরোনো অভ্যাস পরিবর্তনে সময় লাগবে। তাদের মতে, শুধু আইন প্রয়োগই যথেষ্ট নয়, জনসচেতনতা বৃদ্ধি করে চালকদের বোঝানো উচিত কখন হর্ন ব্যবহার জরুরি, আর কখন তা কেবল বিরক্তির কারণ।
প্রাথমিক লক্ষণ বলছে, অভিযানের প্রভাব দেখা যাচ্ছে। বিমানবন্দর এলাকায় কঠোর কার্যক্রমের প্রথম দিনেই ডজনখানেক মামলা হয় এবং ১,০০,০০০ টাকার বেশি জরিমানা আদায় করা হয়, যখন চালকরা নতুন নিয়মের সঙ্গে মানিয়ে নিচ্ছিল। পুলিশ জানিয়েছে, আগামী সপ্তাহগুলোতেও এ ধরনের অভিযান চলবে, যাতে অপ্রয়োজনীয় হর্নের ব্যবহারের সামাজিক ও আইনি ফলাফল চালকদের মনে গেঁথে যায়।
ঢাকায় যানজট ও শব্দদূষণের অবসান করতে হর্ন নিষেধাজ্ঞা একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ, যা আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সমন্বয়ে বাস্তবায়িত হচ্ছে। তবে এই উদ্যোগের দীর্ঘমেয়াদি সফলতা শুধুমাত্র জরিমানার ওপর নির্ভর করবে না, বরং চালকদের আচরণে পরিবর্তন আনা এবং এক সচেতন নগর সংস্কৃতি গড়ে তুলতে হবে।






































