ইঞ্জিন তেলের ব্যবহার হাই-মাইলেজ গাড়িতে কীভাবে কমানো যায়?

Humaira Tasnim Adiba
time
6 মিনিটে পড়া যাবে
feature image

হাই-মাইলেজ গাড়িগুলো সাধারণত প্রথমদিকে বেশ ভালোভাবেই চলে, তবে ধীরে ধীরে একটি সাধারণ সমস্যা দেখা দেয় যেমন ইঞ্জিন অয়েলের খরচ বেড়ে যাওয়া। সার্ভিসের মাঝে ইঞ্জিন অয়েল যোগ করা অনেক সময় স্বাভাবিক মনে হলেও, অতিরিক্ত অয়েল খরচ ভেতরের কোনো যান্ত্রিক ক্ষয়ের ইঙ্গিত হতে পারে। কম ইঞ্জিন অয়েল খরচের সুবিধা শুধু বারবার অয়েল কিনে টাকা বাঁচানোতেই সীমাবদ্ধ নয়; এটি ইঞ্জিনের গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রাংশকে সুরক্ষা দেয়, কর্মক্ষমতা বজায় রাখে এবং দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতির ঝুঁকি কমায়।

এই লেখায় আমরা আলোচনা করবো কেন হাই-মাইলেজ গাড়িতে ইঞ্জিন অয়েল বেশি খরচ হয়, ইঞ্জিন অয়েল বার্ন হওয়ার প্রধান কারণগুলো কী, এবং কীভাবে সঠিক রক্ষণাবেক্ষণ, উপযুক্ত ইঞ্জিন অয়েল নির্বাচন ও সচেতন ড্রাইভিংয়ের মাধ্যমে কার্যকরভাবে ইঞ্জিন অয়েল খরচ কমানো যায়।

হাই-মাইলেজ গাড়িতে ইঞ্জিন অয়েল খরচ বাড়ার কারণ

সময়ের সাথে সাথে ইঞ্জিন অয়েলের খরচ বৃদ্ধি পাওয়া বেশ স্বাভাবিক। সময়ের সাথে সাথে পিস্টন রিং, ভালভ সিল এবং সিলিন্ডার ওয়াল ক্ষয়ে যায় এবং আগের মতো ভালোভাবে সিল করতে পারে না। এর ফলে ইঞ্জিন অয়েল ধীরে ধীরে কম্বাশন চেম্বারে ঢুকে পড়ে এবং জ্বালানির সাথে পুড়ে যায়।

হাই-মাইলেজ ইঞ্জিনে পিস্টন রিংয়ের চারপাশে কার্বন জমে যাওয়াও একটি বড় সমস্যা। এতে রিংগুলো ঠিকমতো কাজ করতে পারে না। আবার ভালভ স্টেম সিল ক্ষয় হয়ে গেলে স্টার্ট নেওয়ার সময় বা গতি কমানোর সময় সিলিন্ডারের ভেতরে অয়েল ঢুকে পড়ে। এসব ইঞ্জিন অয়েল বার্ন হওয়ার কারণ ধীরে ধীরে তৈরি হয়, তাই শুরুতে বিষয়টি অনেক সময় চোখে পড়ে না। এজন্য ইঞ্জিন অয়েল খরচ কমাতে চাইলে আগে মূল কারণগুলো জানা খুব জরুরি।

ইঞ্জিন অয়েল মেইনটেন্যান্সের গুরুত্ব

ইঞ্জিন অয়েল ইঞ্জিনের ভেতরের অংশগুলোকে লুব্রিকেট করে, ঠান্ডা রাখে এবং পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে। হাই-মাইলেজ গাড়িতে অয়েলের মান এবং কত ঘন ঘন অয়েল পরিবর্তন করা হচ্ছে; এই বিষয়গুলো আরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। ভুল গ্রেডের অয়েল ব্যবহার করা বা দীর্ঘ সময় অয়েল পরিবর্তন না করলে ইঞ্জিনের ভেতরের ক্ষয় দ্রুত বাড়ে এবং অয়েল খরচও বেড়ে যায়। সঠিকভাবে রক্ষণাবেক্ষণ করা লুব্রিকেশন সিস্টেম ঘর্ষণ কমায়, অতিরিক্ত তাপ জমতে দেয় না এবং পুরনো সিলগুলোকে কিছুটা হলেও সুরক্ষা দেয়। সঠিক স্পেসিফিকেশনের ভালো মানের ইঞ্জিন অয়েল ব্যবহার করলে সিলিং ক্ষমতা কিছুটা ফিরে আসে এবং অয়েল লস ধীর হয়। নিয়মিত অয়েল চেক করলে অস্বাভাবিক খরচ আগেভাগেই ধরা পড়ে।

হাই-মাইলেজ ইঞ্জিনে ইঞ্জিন অয়েলের প্রভাব

নতুন ইঞ্জিনে সাধারণ ইঞ্জিন অয়েল ভালো কাজ করলেও হাই-মাইলেজ ইঞ্জিনে তা অনেক সময় যথেষ্ট হয় না। সময় বাড়ার সাথে সাথে সিল শক্ত হয়ে যায় এবং ভেতরের ক্লিয়ারেন্স বড় হয়, ফলে সাধারণ অয়েল সহজেই ফাঁক দিয়ে বের হয়ে যায়। হাই-মাইলেজ ইঞ্জিন অয়েলে বিশেষ ধরনের অ্যাডিটিভ ও সিল কন্ডিশনার থাকে, যা লিক ও অয়েল বার্ন কমাতে সাহায্য করে। এগুলো ইঞ্জিনের ভেতরের জমে থাকা ময়লা পরিষ্কার করে এবং ক্ষয়প্রাপ্ত অংশগুলোর সিলিং কিছুটা উন্নত করে। তবে চিন্তা না করে খুব ঘন অয়েল ব্যবহার করলে ঠান্ডা অবস্থায় লুব্রিকেশন ঠিকমতো নাও হতে পারে। তাই শুধু ভিসকসিটি বাড়ানো নয়, বরং ভারসাম্যপূর্ণ সুরক্ষাই হওয়া উচিত মূল লক্ষ্য।

ইঞ্জিন অয়েল খরচ কমানোর কার্যকর টিপস

ইঞ্জিন অয়েল খরচ কমাতে সব সময় বড় কোনো ইঞ্জিন রিপেয়ার দরকার হয় না। অনেক সময় ছোট ছোট অভ্যাস ও নিয়মিত যত্নেই বড় ফল পাওয়া যায়। যেমন-

  • নিয়মিত ইঞ্জিন অয়েল পরিবর্তন করা এবং ম্যানুফ্যাকচারার অনুমোদিত বা হাই-মাইলেজ অয়েল ব্যবহার করলে ইঞ্জিন ভেতর থেকে পরিষ্কার থাকে।
  • বারবার অয়েল লেভেল চেক করলে ইঞ্জিন কখনোই লো অয়েলে চলে না, যা অতিরিক্ত ক্ষয়ের ঝুঁকি কমায়।
  • ছোটখাটো অয়েল লিক দ্রুত ঠিক করা, নষ্ট PCV (Positive Crankcase Ventilation) ভালভ বদলানো এবং ইঞ্জিনে স্লাজ জমতে না দেওয়া অয়েল খরচ কমাতে বড় ভূমিকা রাখে।
  • ড্রাইভিং অভ্যাসও এখানে খুব গুরুত্বপূর্ণ। হঠাৎ দ্রুত গতি বাড়ানো, দীর্ঘ সময় উচ্চ আরপিএম এ গাড়ি চালানো এবং বারবার ছোট দূরত্বে গাড়ি চালানো হাই-মাইলেজ ইঞ্জিনে অয়েল বার্ন বাড়ায়। ধীরে অ্যাক্সিলারেশন দেওয়া এবং ইঞ্জিনকে গরম হওয়ার সময় দিলে দীর্ঘমেয়াদে অয়েল খরচ অনেকটাই কমে যায়।

কীভাবে ইঞ্জিন অয়েল বার্ন হওয়ার কারণগুলো কমানো যায়?

ইঞ্জিন তেল পোড়ানোর কারণ শুধু মেইনটেন্যান্সের সমস্যা নয়, অনেক সময় এটি সরাসরি যান্ত্রিক সমস্যার ফল। পুরোনো বা বেশি চালানো ইঞ্জিনে পিস্টন রিং ক্ষয়ে গেলে, ভালভ সিল নষ্ট হলে বা ক্র্যাঙ্ককেস ভেন্টিলেশন সিস্টেম ঠিকভাবে কাজ না করলে ইঞ্জিন অয়েল কম্বাশন চেম্বারে ঢুকে যায় এবং জ্বালানির সাথে পুড়ে যায়। এই সমস্যাগুলো অনেক সময় চোখে পড়ে না, কিন্তু ধীরে ধীরে এক্সহস্ট থেকে নীল ধোঁয়া, স্পার্ক প্লাগ নোংরা হওয়া এবং ফুয়েল মাইলেজ কমে যাওয়ার মতো লক্ষণ দেখা দেয়।

ইঞ্জিন অয়েল বার্ন কমাতে হলে সময়মতো সিল ও গ্যাসকেট পরিবর্তন করা জরুরি। পাশাপাশি PCV সিস্টেম ঠিকভাবে কাজ করছে কিনা তা নিশ্চিত করতে হবে, কারণ এতে ইঞ্জিনের ভেতরে অতিরিক্ত চাপ তৈরি হয় না এবং অয়েল সিল ভেদ করে ঢুকে পড়তে পারে না। এসব প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নিলে ইঞ্জিন অয়েল খরচ অনেকটাই কমে আসে এবং হাই-মাইলেজ ইঞ্জিনের আয়ু দীর্ঘ হয়।

হাই-মাইলেজ গাড়ির জন্য সঠিক ইঞ্জিন অয়েল কীভাবে নির্বাচন করবেন?

মাইলেজ বেড়ে গেলেই যে সব ইঞ্জিনে ঘন অয়েল ব্যবহার করতে হবে এমনটা নয়। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে সঠিক ভিসকসিটির একটি ভালো হাই-মাইলেজ ইঞ্জিন অয়েল ব্যবহার করলেই যথেষ্ট। এই ধরনের ইঞ্জিন অয়েলে বিশেষ অ্যাডিটিভ থাকে, যা সিলকে নরম রাখে, অয়েল লিক ও বাষ্পীভবন কমায় এবং ক্ষয়প্রাপ্ত যন্ত্রাংশকে অতিরিক্ত সুরক্ষা দেয় লুব্রিকেশন নষ্ট না করেই। যেসব গাড়ি বেশি গরম আবহাওয়ায় চলে বা নিয়মিত ভারী লোড বহন করে, সেখানে সামান্য বেশি ভিসকসিটির অয়েল ব্যবহার করলে অয়েল কনজাম্পশন কিছুটা কমানো যায়। তবে অতিরিক্ত ঘন অয়েল ব্যবহার করলে কোল্ড স্টার্টে লুব্রিকেশন সমস্যা তৈরি হতে পারে। তাই সবচেয়ে নিরাপদ সিদ্ধান্ত হলো এমন অয়েল বেছে নেওয়া, যা সিল কন্ডিশনিং ও ওয়্যার প্রোটেকশনের ওপর বেশি জোর দেয়, শুধু ঘনত্বের ওপর নয়। সঠিক ইঞ্জিন অয়েল পারফরম্যান্স বাড়ায় এবং ইঞ্জিন তেলের ব্যবহার কমানো এর জন্যও সাহায্য করে।

চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত

হাই-মাইলেজ গাড়িতে ইঞ্জিন অয়েল খরচ কমাতে হলে প্রয়োজন ভারসাম্য, সচেতনতা এবং নিয়মিত যত্ন। অতিরিক্ত অয়েল বার্ন হওয়াকে কখনোই হালকাভাবে নেওয়া উচিত নয়, কারণ এটি ভবিষ্যতের বড় ক্ষতির ইঙ্গিত হতে পারে সঠিক ইঞ্জিন অয়েল নির্বাচন, নিয়মিত মেইনটেন্যান্স, দায়িত্বশীল ড্রাইভিং অভ্যাস এবং সমস্যার আগাম শনাক্তকরণ - এই চারটি বিষয়ে নজর রাখলে অয়েল লস অনেকটাই কমানো সম্ভব। ভালোভাবে যত্ন নেওয়া একটি হাই-মাইলেজ ইঞ্জিন বহু বছর দক্ষতার সঙ্গে কাজ করতে পারে। স্মার্টভাবে ইঞ্জিন অয়েল ব্যবস্থাপনা করলে পারফরম্যান্স ও ইঞ্জিনের আয়ু দুটোই বাড়ে।

সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলী

১. হাই-মাইলেজ গাড়িতে কেন ইঞ্জিন অয়েল বেশি পোড়ে?

দীর্ঘদিন ব্যবহারে পিস্টন রিং, ভালভ সিল এবং ইঞ্জিনের ভেতরের ক্লিয়ারেন্স ক্ষয়ে যায়। ফলে ইঞ্জিন অয়েল কম্বাশন চেম্বারে ঢুকে পুড়ে যায়।

২. ইঞ্জিন অয়েল খরচ কমানোর সবচেয়ে কার্যকর উপায় কী?

সঠিক ইঞ্জিন অয়েল ব্যবহার করা, সময়মতো অয়েল পরিবর্তন, ছোটখাটো মেকানিক্যাল সমস্যা দ্রুত ঠিক করা এবং আগ্রাসী ড্রাইভিং এড়িয়ে চলা।

৩. ঘন অয়েল ব্যবহার করলে কি অয়েল কনজাম্পশন কমে?

সব সময় নয়। কিছু ক্ষেত্রে ঘন অয়েল উপকার করতে পারে, কিন্তু ভুল ভিসকসিটি ইঞ্জিনের লুব্রিকেশন ও পারফরম্যান্স ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।

৪. হাই-মাইলেজ গাড়িতে কতদিন পর পর ইঞ্জিন অয়েল চেক করা উচিত?

কমপক্ষে মাসে দুইবার বা লং ট্রিপে বের হওয়ার আগে ইঞ্জিন অয়েল চেক করা উচিত।

৫. হাই-মাইলেজ ইঞ্জিন অয়েল কি সত্যিই কার্যকর?

হ্যাঁ। এই অয়েলগুলোতে বিশেষ অ্যাডিটিভ থাকে, যা সিল কন্ডিশন ভালো রাখে এবং অয়েল খরচ কমাতে সাহায্য করে।

অনুরূপ খবর

  • Maintenance & Care Tips

    ইঞ্জিন তেলের ব্যবহার হাই-মাইলেজ গাড়িতে কীভাবে কমানো যায়?

    time
    6 মিনিটে পড়া যাবে
  • Maintenance & Care Tips

    মোটরসাইকেলের কুলিং ফ্যান সমস্যাঃ লক্ষণ ও সমাধান

    time
    4 মিনিটে পড়া যাবে
  • Maintenance & Care Tips

    মোটরসাইকেলের গিয়ার শিফটিং সমস্যাঃ কারণ ও সমাধান

    time
    5 মিনিটে পড়া যাবে
  • Maintenance & Care Tips

    শহরের যানজটে ব্রেক ডিস্ক বেঁকে যাওয়া কীভাবে প্রতিরোধ করবেন

    time
    5 মিনিটে পড়া যাবে
  • Maintenance & Care Tips

    আপনার গাড়ির শক অ্যাবজর্বার নষ্ট হওয়ার লক্ষণসমূহ

    time
    5 মিনিটে পড়া যাবে
  • Maintenance & Care Tips

    ইঞ্জিন ওয়ার্ম আপ না করলে কীভাবে ইঞ্জিনের আয়ু কমে যায়?

    time
    4 মিনিটে পড়া যাবে
  • Maintenance & Care Tips

    ট্রাফিকে গাড়ির ব্যাটারি ডেড হলে কী করবেন

    time
    3 মিনিটে পড়া যাবে
  • Maintenance & Care Tips

    যানবাহনের ইঞ্জিন মিসফায়ারিং এর লক্ষণগুলো কীভাবে শনাক্ত করবেন?

    time
    3 মিনিটে পড়া যাবে
  • Maintenance & Care Tips

    ধুলোপ্রবণ শহরে নিয়মিত এয়ার ফিল্টার পরিষ্কার করা কেন গুরুত্বপূর্ণ?

    time
    4 মিনিটে পড়া যাবে
  • Maintenance & Care Tips

    চট্টগ্রামের মতো উপকূলীয় এলাকায় মরিচা ও ক্ষয় যেভাবে প্রতিহত করবেন

    time
    4 মিনিটে পড়া যাবে

সর্বশেষ গাড়ির রিভিউ

  • Suzuki Alto K10 2015

    Hatchback

    ৳ 800K - 1.2M

  • Toyota Aqua 2014

    Hatchback

    ৳ 1.5M - 1.6M

  • Suzuki Swift 2017

    Hatchback

    ৳ 1.7M - 2.2M

  • Toyota Vitz 2017

    Hatchback

    ৳ 1.8M - 2.3M

  • Nissan Leaf 2014

    Hatchback

    ৳ 1.6M - 2.2M

  • Mitsubishi Montero 2015

    SUV & 4X4

    ৳ 4.5M - 6M

  • Suzuki Wagon R 2018

    Hatchback

    ৳ 750K - 1.1M

  • Honda Civic 2019

    Saloon & Sedan

    ৳ 3.5M - 4.5M

  • Land Rover Defender 2020

    SUV & 4X4

    ৳ 14M - 18M

  • Mitsubishi Lancer 2017

    Saloon & Sedan

    ৳ 2.5M - 3M

  • Toyota Axio 2016

    Saloon & Sedan

    ৳ 1.8M - 2.4M

  • Toyota Premio G Superior 2018

    Saloon & Sedan

    ৳ 2.3M - 3M

সর্বশেষ বাইকের রিভিউ

  • Hero Ignitor 125 2020 IBS

    ৳ 115.7K - 128.5K

  • Honda X-Blade 160 ABS

    ৳ 194.9K - 216.5K

  • Honda Livo 110 Drum

    ৳ 107.9K - 119.9K

  • Keeway TXM 150

    ৳ 161.1K - 179K

  • Suzuki Gixxer Monotone

    ৳ 206K - 210K

  • Suzuki Gixxer SF Matt Plus

    ৳ 315K - 350K

  • Yamaha R15 S

    ৳ 409.5K - 455K

  • Hero Hunk 150 R Dual Disc ABS

    ৳ 166.1K - 232K

  • TVS Apache RTR 165 RP

    ৳ 297K - 360K

  • Suzuki Intruder FI ABS

    ৳ 247.5K - 320K

  • Suzuki Bandit 150

    ৳ 288K - 320K

  • KTM RC 125

    ৳ 333K - 566K

hero

আপনার গাড়ি বা বাইক বিক্রির বিজ্ঞাপন মাত্র ২ মিনিটে পোস্ট করুন একদম ফ্রি!